
চলনবিল প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোঃ হাফিজুর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন শেষে গত ২০২৪ সালে অবসরে যায়। অবসরে যাওয়ার সময় তার পছন্দমত শিক্ষক শেফালী খাতুনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করে। বিদ্যালয়টি ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে হওয়ায় বিদ্যালয়ের ০৯ শতক জমি অধিগ্রহণ হয়।যাহার মূল্য সরকার ২৮,০০,০০০/ (আটাশ লক্ষ) টাকা নির্ধারন করেন।এই টাকা দিয়ে এলাকাবাসী স্কুলের পাশে জমি ক্রয় করার চিন্তা ভাবনা করছেন। কিন্তু স্বৈরাচার পতনের পরে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি গঠন করা হয়,যেখানে স্থানীয়ভাবে একজন ভুমিদাতা সদস্য থাকার প্রজ্ঞাপন সরকার জারি করে। এই বিদ্যালয়ে ০৩ জন ভুমি দাতা ছিলেন যার মধ্যে একজন ঘুড়কা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনর রশীদ শাহিনের পিতা যার উত্তরসূরী শাহিন কিন্তু হাফিজুর রহমানের পছন্দের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেফালী খাতুন অপর ০২ জনকে না জানিয়ে হাফিজুরের পিতার উত্তরসূরী হিসেবে হাফিজুর রহমানকে ভুমি দাতা সদস্য হিসেবে কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত করে । এডহক কমিটিতে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জহুরা তহুর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এডহক কমিটি হলো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্যে সীমিত সময়ের জন্য গঠিত একটি অস্থায়ী কমিটি। একটি নিয়মিত কমিটিতে অভিভাবক সদস্যসহ স্থানীয় ৭/৮ জন ব্যাক্তিবর্গ থাকেন যারা বিদ্যালয়ের যেকোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারেন। কিন্তু অস্থায়ী এডহক কমিটিতে স্থানীয় একজন ব্যক্তি এই বিশাল অংকের ২৮,০০,০০০/ (আটাশ লক্ষ) টাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি?সভাপতি জহুরা তহুর বলেন টাকা তামাদি হয়ে যেতে পারে এই জন্যে তাড়াহুড়ো করে উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়েছে অথচ সরকারী টাকা তামাদি হওয়ার কোন সুযোগ নাই। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলাল হোসেন বলেন এডহক কমিটি ও নিয়মিত কমিটির মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। এলাকাবাসী বিষয়টি জানার পর বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন হাফিজুর ও সভাপতি জহুরা তহুরে যোগসাজশে বিশাল অংকের টাকা নয়ছয় করার অপচেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে সচেতন মহল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।