বিশেষ প্রতিবেদকঃ
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কিনে অন্যের কাছে বেশি দামে বিক্রি করা ঠেকানো কঠিন বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং অনলাইন ব্যবস্থায় নতুন প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ যুক্ত করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরুর সময় একসঙ্গে লাখ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করেন। এতে ব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়, ফলে অনেক সাধারণ যাত্রী টিকিট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন।
তিনি জানান, ঈদের সময় প্রতিদিন ৩২ হাজার টিকিটের বিপরীতে ৩৬ থেকে ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করেন। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের চাহিদার তুলনায় টিকিটের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় সংকট তৈরি হয়।
রেলমন্ত্রী বলেন, একজন যাত্রী অনলাইনে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারেন। আবার ১০ জন মিলে টিকিট কিনলে তাঁদের কাছে মোট ৪০টি টিকিট থাকতে পারে। পরে এসব টিকিট বেশি দামে বিক্রির প্রবণতা দেখা যায়। অনলাইনে কেনা টিকিট অন্যের কাছে হস্তান্তর করে বিক্রি ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে আগে প্রবেশ করলে আগে টিকিট কেনার সুযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করেও টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে বর্তমান ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত বলছেন না তিনি।
রেলমন্ত্রী জানান, টিকিট বিক্রির ব্যবস্থায় থাকা ত্রুটিগুলো পর্যায়ক্রমে দূর করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং সফটওয়্যারে নতুন ব্যবস্থা যুক্ত করার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত