নলছিটি উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদসহ নলছিটি পৌরসভার সাধারন কৃষক বিভিন্ন এনজিও, ব্যাংক থেকে লোন তুলে লাভের আশায় হাজার হাজার টাকা ঋণের বোজা মাথায় নিয়ে ৪/৫ বিঘায় ইরি ধান চাষ করে পরিচর্যার মাধ্যমে ধান বাড়িতে তুলে রৌদ্রে শুকিয়ে ১০০/১৫০ মন ধান বস্তা বন্ধি করে খামাল দিয়ে রাখা হইয়াছে। তাহারা বড় আশায় বুকবেধেঁ অপেক্ষায় ছিলেন যে প্রতি বৎসরের ন্যায় এ বৎসর ও সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে গোডাউনে ঢুকাবেন। কিন্তু সেই আশা ভরসা থেকে বঞ্চিত হলেন সাধারন কৃষক।
তারা আজ ও সরকারকে দিতে পারলেন না সেই কষ্টাজিত উৎপাদন করা ইরিধান। নলছিটির কয়েকজন সাধারন কৃষক এই মৌসুমে গোডাউনে ধান দিতে না পেরে এখন তারা সুদের টাকা মাসে মাসে গুনতেছেন। তবে এই সাধারন কৃষকের সাথে সাক্ষাৎ করা হলে তারা আগামী মৌসুমে এক শতক জমিতে ও ইরিধান চাষ করিবেন না বলে আক্ষেপ করেন।
নলছিটির সিদ্ধকাঠী ইউনিয়নের জোয়ারআওরাবুনিয়ার কৃষক মোঃ হেমায়েত ইসলাম খান এর কাছে জানতে চাইতে সে বলেন আমি প্রতি বৎসর ৫/৬ বিঘা জমিতে ইরিধান চাষ করি। ধান ঘরে তোলার সাথে সাথে সরকার আমার এবং আমাদের এলাকার সকল কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে গোডাউনে নিয়ে ঢুকাতেন কিছু হলেও কয়েকটি টাকা লাভবান হইতাম।
কিন্তু এ বৎসর আমি ৫/৬ বিঘা ইরিধান চাষ করিয়াছি, আমিসহ সকল কৃষক অনেক টাকা ঋনী হয়েছি কিন্ত দুঃখের বিষয় একমন ধানও সরকারকে দিতে না পেরে সকল কৃষক হতাশায় ভুগছেন।
কৃষক বাচঁলে দেশ বাচঁবে তাই সরকারের কাছে সাধারন কৃষকদের আবেদন সিন্ডিকেট না করে আমাদের এই কষ্টাজিত ধান ক্রয় করে আমাদের কৃষকদের বাচাঁন।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত