ক্রীড়া ডেস্কঃ
ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচন ঘিরে সমীকরণে নতুন মোড় এসেছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে ফিফার সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ইনফান্তিনোর ওপর চাপ আরও বাড়ল।
মঙ্গলবার ফিফার কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশে জুয়ারেস আগের সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান। সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
ইনফান্তিনোর জন্য ইসরায়েলের এই অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের ফুটবল সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোগ নিয়ে আসছেন। গত এপ্রিলে ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কংগ্রেস চলাকালে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের একসঙ্গে আনার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে ফিলিস্তিনি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি জিবরিল রাজুব ইসরায়েলি প্রতিনিধির পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানালে সেই উদ্যোগ সফল হয়নি।
এরপরও থেমে থাকেননি ইনফান্তিনো। যুক্তরাষ্ট্রে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় নতুন অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনকে মুখোমুখি করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।
ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের চিঠিতে ফিফা ও উয়েফার বৈশ্বিক ফুটবল পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গভীর আস্থার সংকটের কথা বলা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, দুই পক্ষের মতবিরোধ এখন আর শুধু প্রশাসনিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই; তা নীতিগত ও মৌলিক প্রশ্নেও গড়িয়েছে।
এর আগে ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। তবে আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন ও আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনসহ বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী ফুটবল সংস্থা এখনো তাঁর পাশে রয়েছে।
বিশ্বকাপের অংশীদারত্ব বেসরকারি খাতে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেভিন লামুরকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা সেই বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে।
তবে ইনফান্তিনোর পক্ষে শক্তিশালী সমর্থনও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি তাঁকে সরানোর চিন্তাকে ‘মারাত্মক ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত