ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা এবিএম জাকারিয়া বলেছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম অ- ব্যবস্থাপনা ও হ য ব র ল অবস্থা বিরাজ করছে। এ শিক্ষার ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সরকারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। ২৭ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাডহক কমিটি দিয়ে চলমান এবং অধিকাংশ স্কুল কলেজ মাদরাসায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান দিয়ে চালানো হচ্ছে। অ্যাডহক কমিটির সীমাবদ্ধতা ও নিয়মিত প্রধান শিক্ষকের অভাব প্রতিষ্ঠানগুলো হারে হারে উপলব্ধি করছে। এ কথা সবাই জানে যে, এডহক কমিটি এবং ভারপ্রাপ্ত দ্বারা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ ,কর্মচারী নিয়োগসহ অনেক সিদ্ধান্তই অ্যাডহক কমিটি নিতে পারে না।
এ সকল সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্র অবহেলা ও শৈথিল্য প্রদর্শন করে আসছে। অতএব, অতিদ্রুত এডহক কমিটির পরিবর্তে রাষ্ট্রকেই প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় চান্স প্রাপ্তদের নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
গত ১৪ আগস্ট' শুক্রবার সকালে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে "ঢাকা বিভাগীয় শিক্ষক প্রতিনিধি সভায়" প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপর্যুক্ত কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি যে, সমস্যার সমাধান না করে নতুন নতুন আত্মঘাতী ও শিক্ষা ধ্বংসকারী ,মেধা ধ্বংসকারী সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে এনটিআরসিএর ক্ষমতা খর্ব করে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগ এর দায়িত্ব অর্পণ করার পাঁয়তারা চলছে।
যেখানে একদিকে কোটি কোটি টাকার দেন দরবার হবে ,অপরদিকে মেধাবীকে বাদ দিয়ে অযোগ্য ব্যক্তিবর্গ শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে পারেন যা জাতির জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না।
কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও নগর দক্ষিণ সভাপতি প্রিন্সিপাল আমির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, পলিটেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল কলেজ বিষয় সম্পাদক প্রভাষক রিয়াজুল ইসলাম ,সাংগঠনিক সম্পাদক( ঢাকা বিভাগ) অধ্যাপক রুহুল আমিন ,নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি জনাব আলতাফ হোসেন গাজী,টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি জনাব ইসমাইল হোসেন।