মির্জাপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা-বাকালিপাড়া এলাকায় সরকারি পানির মোটর স্থাপন ও পানির সংযোগ নিতে প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাপসী পাল নামে এক উপকারভোগী। তাঁর দাবি, সরকারি পানির মোটর স্থাপন ও সংযোগের কাজে তিনি নিজেই প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন। একই সঙ্গে সংযোগের কাজ করতে গিয়ে তাঁর বাড়ির একটি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, তাপসী পালের বাড়িতে স্থাপন করা ওই সরকারি পানির মোটর থেকেই পাইপলাইনের মাধ্যমে আশপাশের আরও ছয়টি বাড়িতে পানির সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তাপসী পালের দাবি, ওই ছয়টি বাড়িতে সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেওয়া হয়নি। অর্থাৎ, মোটর ও সংযোগের কাজে প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করার পরও একই মোটর থেকে আশপাশের আরও ছয়টি পরিবার বিনা খরচে পানির সংযোগ পেয়েছে।
এতে একজন উপকারভোগীর কাছ থেকে সরকারি পানির মোটর স্থাপন ও সংযোগের কাজে প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ের অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই অর্থ কোন খাতে এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব রয়েছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি প্রকল্পের আওতায় পানির মোটর ও সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে উপকারভোগীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিধান থাকলে তার যথাযথ হিসাব থাকা প্রয়োজন। আর যদি এ ধরনের অর্থ নেওয়ার কোনো বিধান না থাকে, তাহলে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
স্থানীয়রা আরও বলেন, সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত পানির প্রকল্পে অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় বা কোনো ধরনের অসঙ্গতি হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।