আব্দুর রব মনসুর,স্টাফ রিপোর্টারঃ
সিরাজগঞ্জের যমুনার নদীর চরে নতুন পলি মাটিতে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে লাল সোনা খ্যাত মরিচের। ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় চাষিরা খুব খুশি হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর জেলায় ১৫৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। চাষকৃত মরিচের মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাত বিজলি, রোশনী, উন্নত জাতের বারী-৩, সুপার সনিক, রংপুরী, বগুড়া এবং স্থানীয় জাতের মরিচ। প্রতি হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয়েছে ১১.২৫ মেট্রিক টন এবং শুকনা মরিচ উৎপাদন হয়েছে ২.৪ থেকে ২.৫ মেট্রিক টন। স্থানীয় বাজারে প্রতি মন শুকনা মরিচ ১২ থেকে ১৬ হাজার টাকা আর আর কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। উওরবঙ্গের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ হাট হচ্ছে কাজিপুরের নাটুয়ারপাড়া হাট। এখানে প্রতি সপ্তাহে শনি ও বুধবার হাট বসে। সেখানে দেশের বড় বড় কোম্পানি প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা মরিচ কিনে নিয়ে যান। নাটুয়ার পাড়া গ্রামের মরিচ চাষী শফিকুল ইসলাম জানান, এক বিঘা জমিতে চাষ করা মরিচ চার মন শুকনো মরিচ বাজারে বিক্রি করলে প্রায় ৯৬ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। মনসুর নগর চরের শাজাহান জানান, দুই বিঘা জমিতে চাষ করা কাঁচা মরিচ ৪০ মন কাঁচা মরিচ ইতিমধ্যে বিক্রি করেছেন। এছাড়া চার মণ শুকিয়ে রেখেছেন, যা বিক্রি করলে ১ লক্ষ টাকার মত হবে বলে আশা করেন।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাসির হোসেন বলেন, ভালো দামের আশায়,চাষিরা মরিচ চাষে আগ্রহী হচ্ছে। সদর উপজেলায় এ বছরের ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, হেক্টর প্রতি শুকনো মরিচের উৎপাদন ২. ৪থেকে ২.৫ মেট্রিক টন। এখানে স্থানীয় জাত ছাড়াও বিজলি প্লাস, বালিজুরি,বেড গোল্ড জাতের মরিচ চাষ হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ,কে এম মনজুর মাওলা বলেন, এবছর মরিচের ভালো দাম থাকায় চাষিরা মরিচ চাষে আগ্রহী হচ্ছে। এ বছর জেলায় মরিচের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড