বিশেষ প্রতিনিধিঃ
শপথ নেওয়ার তিন মাস পার না হতেই আলোচনার কেন্দ্রে এখন সচিবালয়ের নীতিনির্ধারণী মহল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণের গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। প্রশাসনের গতি বৃদ্ধি আর জনসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে রাজনীতি বিশ্লেষকরা দেখছেন এক নতুন সমীকরণ হিসেবে।
বর্তমানে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কাঁধে রয়েছে রাষ্ট্রের গুরুভার। তবে মাঠপর্যায়ে কাজের ব্যাপক চাপ এবং বেশ কয়েকজন সদস্য একাধিক দপ্তরের দায়িত্বে থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূত্রমতে, এই চাপ কমিয়ে প্রতিটি বিভাগকে আরও সক্রিয় করতে নতুন করে তিন থেকে পাঁচজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার পরিকল্পনা চলছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে কান পাতলে বেশ কিছু হেভিওয়েট নাম শোনা যাচ্ছে। অভিজ্ঞতার ঝুলি আর মাঠের জনপ্রিয়তা বিবেচনায় সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু এবং জয়নুল আবদিন ফারুকের নাম রয়েছে তালিকার প্রথম সারিতে। এছাড়া তারুণ্য ও আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আলোচনায় এসেছেন এরশাদ উল্লাহ ও বি এম মোশাররফ হোসেন। সংরক্ষিত আসন থেকে বর্ষীয়ান নেত্রী সেলিমা রহমানের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও চলছে জোর চর্চা। তবে সবচেয়ে বড় চমক হতে পারে টেকনোক্রেট কোটায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মাহিদুর রহমানের প্রবেশ।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান এই পরিবর্তনকে সংসদীয় গণতন্ত্রের এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, কাজের প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় দায়িত্ব বণ্টন বা পরিবর্তন করতে পারেন। এটি কেবল রদবদল নয়, বরং সুশাসনের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।
এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা পরে ৬০ সদস্যে উন্নীত হওয়ার নজির রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে ‘ভিআইপি সংস্কৃতি’ বিসর্জন দিয়ে রাজপথে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন,সেই দর্শনের সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজন প্রতিটি দপ্তরে নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব।
রাজপথে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেওয়া কিংবা পায়ে হেঁটে অফিসে গিয়ে সাধারণ কর্মচারীদের খোঁজ নেওয়া যে প্রধানমন্ত্রীর প্রাত্যহিক রুটিন, তিনি তার নতুন সারথি নির্বাচনেও যে চমক দেখাবেন সেটিই এখন সময়ের প্রত্যাশা। সচিবালয়ের করিডোর থেকে চায়ের টেবিল, সবার চোখ এখন বঙ্গভবনের দিকে; যেখানে হয়তো খুব শীঘ্রই রচিত হবে এক নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড