ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
এক মুহূর্তে সবকিছু শেষ। স্বাভাবিক একটি যাত্রা পরিণত হলো মৃত্যুর মিছিলে। চোখের সামনে প্রিয়জনদের হারানোর এমন মর্মান্তিক দৃশ্য এখনো তাড়া করে ফিরছে বেঁচে যাওয়া মানুষগুলোকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার আগে বাসটি থামলে কয়েকজন যাত্রী নেমে যান। তবে অনেকেই ভেতরে বসে ছিলেন, যাদের স্বজনরা বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ করেই ঘটে যায় বিপর্যয়। মুহূর্তের মধ্যে বাসটি পানিতে তলিয়ে যেতে থাকলে চিৎকার-চেঁচামেচিতে চারপাশ ভারী হয়ে ওঠে। কেউ ছুটে যান উদ্ধার করতে, কেউ হতবিহ্বল হয়ে তাকিয়ে থাকেন পানির দিকে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, চোখের সামনে নিজের স্বজনকে ডুবে যেতে দেখা-এর চেয়ে বড় অসহায়ত্ব আর কিছু হতে পারে না। চেষ্টা করেও অনেককে বাঁচানো যায়নি। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে সব শেষ হয়ে যায়।
ঘটনার পর এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। যাদের প্রিয়জন চলে গেছেন, তাদের জন্য এই ক্ষতি অপূরণীয়। ফিরে পাওয়ার কোনো উপায় নেই সেই মানুষগুলোকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এমন দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তাহীনতা। যথাযথ নিয়ম-নীতি ও তদারকির অভাবেই বারবার ঘটছে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। তারা প্রশ্ন তুলছেন-আর কত প্রাণ হারালে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বাড়বে?
এ ঘটনায় আবারও সামনে এসেছে নিরাপদ পরিবহন ও সড়ক ব্যবস্থাপনার ঘাটতির বিষয়টি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধ করা কঠিন হবে।
মৃত্যুর এই মিছিল থামাতে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যথায়, এমন মর্মান্তিক দৃশ্য আরও অনেক পরিবারকে বয়ে বেড়াতে হবে আজীবন।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড