
জাজিরা প্রতিনিধিঃ
জাজিরা থানার শরীয়তপুর জেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে অপ্রয়োজনীয় অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য। নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপনা করে।
,
এই যে আমরা ৬ নং ফজু মছাদ মাদবর কান্দি। বড় গোপালপুর জাজিরা শরীয়তপুর -এর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এই মর্মে বলিতেছি যে এলাকাবাসী স্বাধীন বাংলাদেশর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হইতে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত বড় গোপালপুর জাতীয় নির্বাচনের জন্য সাবেক ৩টি ওয়ার্ড ছিল। যার মোট ভোটারের সংজ্ঞা ছিল ৯৫২৪এর মধ্যে ৩টি ওয়ার্ড ভাগ করা ছিল।
১.নাম্বার ওয়ার্ডের ভোট সংখ্যা ছিল ৩৫৫৬ ভোট
২.দুই নম্বর ভোট কেন্দ্রে ছিল ২৩০১ভোট
৩. নম্বর ভোট কেন্দ্রে ছিল ৩৬৬৭ভোট।
এর মধ্যে ৩ং নম্বর ওয়ার্ডের ৩৩নংবড় গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অধীনে। ওখানে আমাদের ভোট শান্তি ও সুন্দর সু-শৃঙ্খল পরিবেশে প্রদান করিতাম।যা আমাদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল।
অতএব দুঃখের বিষয় যে ২৪/১০/২০২৫ইং তারিখ জানতে পারলাম পূর্বের ৩টি কেন্দ্রকে ৪টি কেন্দ্র স্থাপিত বা গঠন করা হয়েছে। সাবেক ৩টি কেন্দ্রের ২ নম্বর কেন্দ্রের ছোট হওয়ার সত্বেও ২নম্বর কেন্দ্রের সর্বমোট ২৩০১।বিভাজন করে এক কেন্দ্র থেকে অন্য কেন্দ্রে দ্রুত হবে ৭৫০মিটার থেকে ৮০০মিটার এর মধ্যে একই এলাকায় বর্তমান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ৪র্থ তম একটি নতুন কেন্দ্র স্থাপন করে। এই নতুন কেন্দ্র স্থাপন করার কারণে। ২ নং ওয়ার্ডের জনগণের মধ্যে দীর্ঘ শত্রুতা জন্ম নেয়। তাই সাধারণ জনগণ মনে করছে তাদের জান মাল হুমকির জন্য। ৬ নং ওয়ার্ডের জনগণ তারা নতুন কেন্দ্রে ভোট প্রদান করিতে যাবে না। ৬ নং ওয়ার্ডের জনগণের দাবি ৬ নং ওয়ার্ডের জনগণের দাবি তারা পূর্বের কেন্দ্রে ফিরে আসতে চায়।
সেই ক্ষেত্রে আইন বহিগতভাবে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কোন জনগণের সম্মতি বা আলোচনা মত বিনিময় করা হয়নি। যা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারের সংখ্যা কম থাকায় ৪র্থ ভোট কেন্দ্রের প্রয়োজন ছিল না। এখন বর্তমানে। ২নম্বর কেন্দ্রে ভোট আছে ১৪৯২টি। তাই আইন-বহির্গতভাবে ৩ হাজার ভোটারের কম কোন কেন্দ্র স্থাপন করা যাবে না। তাই এলাকাবাসীর দাবি। তারা পূর্বের কেন্দ্রে ফিরে আসতে চায় নয়তো তারা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাবে না।