
নাছিমা খাতুন সুলতানা,ক্রাইম রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার ৮ নং ডৌহাখলা ইউনিয়নের ত্বকপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলী ছেলে মোঃ সুজন মিয়ার সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধের চলে একই এলাকার পাশ্ববর্তি গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি ডাক্তার এর সাথে এর জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সহ আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই ঘটনা সমাধান এর জন্য একটি গ্রাম্য শালিস বৈঠক বসলে, সালিশের মাতাবরগণ রবি ডাক্তার কে জমি কাগজপত্র দেখানোর কথা বলে সে কাগজপত্র না দেখিয়ে কৌশলে কিছু দিন পর জমি দলিল দেখাবে এমন আশ্বস্ত প্রদান করে গ্রাম্য শালিস ত্যাগ করেন।এই দুর্বলতার সুযোগে প্রভাবশালী ব্যক্তি রবি ডাক্তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার প্রতিপক্ষ মোঃ সুজন মিয়ার বসত ঘরে গত ১৮/১/২৬ ইং তারিখে প্রায় ৬.৩০ মিনিটে বাড়িতে পুরুষ লোক না থাকা এই দুর্বলতা সুযোগে অতর্কিত হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় ঘরে থাকা মহিলারা প্রতিবাদ করিলে তাদের কাপড়-চোপড় ছিড়ে টানা হেচড়া ও মারধর করে ঘরে থাকা মালামাল লুটপাট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। মহিলাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসে হামলাকারী চারজনকে আটক করে এবং পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনার সুজন মিয়া বাদী হয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি ডাক্তার সহ ৯ জন এর নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০/১২ জন কে আসামি করে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানার এসআই ঘটনা স্থান পরিদর্শন করে সততা পায়। পরে অভিযোগ থানার প্রাপ্ত হয়। যাহার গৌরীপুর থানার মামলা নং ১০। ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৪২৭/৩৫৪/৫০৬/(২)১৪৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করা হয়। এই ঘটনার এখন পর্যন্ত কোনো আসামি কে গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন রবি ডাক্তার বলার পর ও তার বাহিনী নিয়ে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। ভুক্তভোগী সুজন মিয়া সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন আমার বাবা তাদেরকে কোন জমি দলিল করে দেয়নি তারা একটি ভুয়া দলিল দেখিয়ে উৎকুষের বিনিময়ে খারিজ করে ফেলে এই খবর শুনে সুজন মিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ময়মনসিংহ বরাবর একটি লিখিত আবেদন করি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই খবর শুনে ডাক্তার তার বাহিনী নিয়ে হামলা করেন। গ্রামবাসী বলেন এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের প্রশাসন দ্রুত গ্রেফতার করে আইনে আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাই। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ ও এলাকাবাসী। যারা গ্রাম্য সালিশে বসেছিলেন তারা হলেন মোঃ আবুল হাশিম, আবদুল হেকিম, মোঃ শরীফ আহমদ, আকিজুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, আবুল কালাম, হারুন মিয়া, মতি মিয়া, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ চাঁন মিয়া, উজ্জল মিয়া, আব্দুল মালেক, মোছাঃ নাসিমা খাতুন, রহিমা খাতুন,হালেমা আক্তার, সাজেদা আক্তার, মোছাঃ জবেদা খাতুন সহ আরো অনেকেই প্রমুখ।