আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
বিশ্ব রাজনীতিতে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন এমন এক সামরিক সক্ষমতার জানান দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। যদিও বেইজিং বরাবরের মতোই দাবি করছে—তারা কখনোই প্রথমে আক্রমণ চালাবে না—তবে আক্রান্ত হলে পাল্টা জবাব হবে তাৎক্ষণিক ও বিধ্বংসী। এই অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চীনের নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ডিএফ-৫সি।
গত সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে আয়োজিত ভিক্টরি ডে প্যারেডে প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রকাশ্যে প্রদর্শন করে চীনের প্রতিরক্ষা বাহিনী। সে সময়ই সামরিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই অস্ত্রের পাল্লা ও ধ্বংসক্ষমতা।
চীনা সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ডিএফ-৫সি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ২০ মিনিটেরও কম সময়ে আঘাত হানতে সক্ষম। এই কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের কাছে এটি ‘ডুমসডে মিসাইল’ বা কেয়ামতের ক্ষেপণাস্ত্র নামেও পরিচিতি পেয়েছে। বলা হচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যা আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি ডিএফ-৫সি ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এতে সর্বোচ্চ ১০টি পর্যন্ত মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিএন্ট্রি ভেহিকল (এমআইআরভি) যুক্ত করা সম্ভব। তবে চীনের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্য এর চেয়েও বেশি বিধ্বংসী সক্ষমতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকর পাল্লা ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কাতারে নিয়ে গেছে। তুলনামূলকভাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘মিনিটম্যান-৩’ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম।
সাধারণত তরল জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র দীর্ঘ সময় প্রস্তুত অবস্থায় রাখা কঠিন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন এই প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। ক্ষেপণাস্ত্রটিতে বিশেষ ধরনের উপাদান ব্যবহারের ফলে এটি দীর্ঘ সময় জ্বালানি ভর্তি অবস্থায় রাখা সম্ভব, যা হঠাৎ পরিস্থিতিতে দ্রুত পাল্টা আঘাত বা ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক’ নিশ্চিত করতে সহায়ক।
বিশ্ব রাজনীতিতে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন এমন এক সামরিক সক্ষমতার জানান দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। যদিও বেইজিং বরাবরের মতোই দাবি করছে—তারা কখনোই প্রথমে আক্রমণ চালাবে না—তবে আক্রান্ত হলে পাল্টা জবাব হবে তাৎক্ষণিক ও বিধ্বংসী। এই অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চীনের নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ডিএফ-৫সি।
গত সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে আয়োজিত ভিক্টরি ডে প্যারেডে প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রকাশ্যে প্রদর্শন করে চীনের প্রতিরক্ষা বাহিনী। সে সময়ই সামরিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই অস্ত্রের পাল্লা ও ধ্বংসক্ষমতা।
চীনা সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ডিএফ-৫সি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ২০ মিনিটেরও কম সময়ে আঘাত হানতে সক্ষম। এই কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের কাছে এটি ‘ডুমসডে মিসাইল’ বা কেয়ামতের ক্ষেপণাস্ত্র নামেও পরিচিতি পেয়েছে। বলা হচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যা আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি ডিএফ-৫সি ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এতে সর্বোচ্চ ১০টি পর্যন্ত মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিএন্ট্রি ভেহিকল (এমআইআরভি) যুক্ত করা সম্ভব। তবে চীনের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্য এর চেয়েও বেশি বিধ্বংসী সক্ষমতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকর পাল্লা ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কাতারে নিয়ে গেছে। তুলনামূলকভাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘মিনিটম্যান-৩’ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম।
সাধারণত তরল জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র দীর্ঘ সময় প্রস্তুত অবস্থায় রাখা কঠিন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন এই প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। ক্ষেপণাস্ত্রটিতে বিশেষ ধরনের উপাদান ব্যবহারের ফলে এটি দীর্ঘ সময় জ্বালানি ভর্তি অবস্থায় রাখা সম্ভব, যা হঠাৎ পরিস্থিতিতে দ্রুত পাল্টা আঘাত বা ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক’ নিশ্চিত করতে সহায়ক।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড