
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের বানারাকান্দা গ্রামের রহমত আলীর স্ত্রী মোছাঃ নার্গিস আক্তার এর গর্বে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যু থানার মামলা আসামি পলাতক। সূত্রে জানা যায় গত ৪/৩/২৫ ইং তারিখে দিবাগত রাতে প্রায় ১১.৩০ মিনিটে নার্গিস আক্তার তার সন্তান আদি নিয়ে বসত ঘরের ঘুমিয়ে পড়ে। মহিলার স্বামী প্রায় ১০ ধরে দেশের বাহিরে সৌদি আরব থাকে এর মধ্যে গত প্রায় ৩ বছর হয় মহিলার স্বামী বাড়িতে এসে ছিল এর পর আর বাড়িতে আসে নাই। এই দুর্বলতা সুযোগে উল্লেখিত তারিখে রাতে গোসল মহিলা ঘরে ঢুকে প্রলোভনের মাধ্যমে বিবাহ কথা বলে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে একই গ্রামের মোঃ ফুল মিয়ার ছেলে মোঃ শাহ্ আলম মিয়া এই অবস্থা উভয় মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং এক পর্যায় মহিলার গর্ভে বাচ্চা চলে আসে। উল্লেখিত বিষয়টি বাড়ির লোকজন টের পেয়ে। মহিলা কে নিয়ে জেলার পার্শ্ববর্তী জেলা ময়মনসিংহ গফরগাঁও চারি পাড়া গ্রামে মহিলার বাবার বাড়িতে বুঝিয়ে দিয়ে আসে। সেখান থেকে গত ৭/১১/২৫ ইং তারিখে মহিলা কে চিকিৎসা কথা বলে ফোনের মাধ্যমে মহিলা কে বাবার বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে , নারী ও পরধন লোভী শাহ্ আলম পরে পূর্বধলা চিকিৎসা গ্রহণ করে। উপজেলার ভিতর গাও গ্রামের মোঃ আব্দুল মালেক এর বাড়িতে নিয়ে আসে কিছুক্ষণ পর মহিলা শরীলে অসুস্থ দেখা দিলে মালেকের স্ত্রী মোছাঃ হাদিছা আক্তার পূনু রায় মহিলা কে হাসপাতালে নিয়ে যায় পথে এক জঙ্গলে যায় সেখানে একটি ছেলে বাচ্চা জন্ম নেয়। পরে বাচ্চাটি কে ফেলে রেখে উভয় চলে আসে পরে দিন পথচারী এক লোকে দেখতে পায় তার পর থানা কে বিষয়টি অবগত করিলে থানা পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে নবজাতক শিশু মৃত দেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মৃতক শিশু মরা দেহ পোস্ট ম্যাডাম জন্য মর্গে প্রেরণ করেন এবং মৃতক শিশু জন্ম দাতা মা মোছাঃ নার্গিস আক্তার সহ হাদিছা আক্তার কে থানার নিয়ে আসে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভোক্তভোগী মহিলা নার্গিস আক্তার বাদী হয়ে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিপক্ষ নারী ও পরধন লোভী প্রতারক মোঃ শাহা আলম মিয়া কে আসামি করে। যাহার পূর্বধলা থানার মামলা নং ১১/৩২৩ ধারা ৯ খ ত্য সহ ৩১৩ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। এই ঘটনার আসামি কে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে মৃতক শিশুটির মা মামলার বাদী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।এই দুর্বলতা সুযোগে মামলার আসামি পক্ষের কিছু লোক মৃতক শিশুটির মেডিকেল রিপোর্ট ধামাচাপা দেবার জন্য ব্যাপক পাই তার সৃষ্টি করেছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার এর সাহায্য কামনা করছে ভুক্তভোগী মামলার বাদী ও তার পরিবারবর্গ। যারা তারা হলেনঃ কেয়ামত আলী,রোজিনা আক্তার,জমিলা খাতুন, কলি আক্তার, মরিয়ম আক্তার, আব্দুল মালেক মিয়া, আব্দুল মজিদ, হাদিছা আক্তার সহ আরো অনেকেই প্রমুখ। মামলার বাদী ছবি সংযুক্ত