যশোর প্রতিনিধিঃ
যশোরের ঝিকরগাছা পুড়ন্দপুরে আওয়ামীলীগের চিন্নিত দুর্বত্তরা জমি সংক্রান্ত বিরোধ ইস্যু করে একজন নিরীহ ছাগল ব্যাবসায়ী কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। বিএনপি কর্মী ঐ ছাগল ব্যাবসায়ীর নাম সৈয়দ রবিউল হীরা। তিনি পুরন্দপুরের তিনি মৃত সৈয়দ এনামুল কাদের মুকুলের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করলেও জড়িতরা বহাল তবিয়তে নিজ বাড়িতে বসবাস করছে। এক্ষেত্রে প্রধান অভিযুক্ত ঝিকরগাছা পৌরসভার সাবেক কমিশনার রাজার প্রধান সহযোগী রেজাউল। তবে ঘটনার সাতদিন পরেও হত্যা মামলা রেকর্ড না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এলাকাবাসি।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, গত ১৯ নভেম্বর রাত ১১টা থেকে ১ টা পর্যন্ত রাজা কমিশনারের প্রধান সহযোগী আওয়ামীলীগ নেতা রেজাউল, রেজাউলের স্ত্রী রেবেকাসহ আরো ৫/৭ জন মিলে হীরাকে বেদম মারধোর করে। এরপর তাকে ঘরে ঢুকিয়ে দেয়। হীরার মা জবেদা ঘটনার সময় মেয়ের বাড়িতে ছিল। ২১ নভেম্বর শুক্রবার রাতে ঝিকর গাছা পৌর বিএনপি নেতা কমিশনার প্রার্থী হিসাবে হীরার বাড়ি ডাকাডাকি করে। এসময় তিনি দেখেন তার ছাগল গুলো ডাকাডাকি করছে আর হীরার ঘর অন্ধকার। পরে আশে পাশের লোকজন ডাকাডাকি করে এনে দরজা খুলে দেখেন, হীরা ঘরের মেঝের উপর পড়ে আছে। তারা গাঁয়ে হাত দিয়ে বুঝতে পারেন অনেক আগেই হীরা মারা গেছে। ঘটনা শুনে হীরার চাচা ঝিকর গাছা পৌর বি এনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবলা ঘটনা স্থলে আসেন।
খবর পেয়ে ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনের বিএনপির জাতীয় সংসদ প্রার্থী সাবিরা নাজমুল মুন্নী, পৌর বিএনপির সভাপতি রুহুল আমিন সুজন, সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ নিপুণ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হন। ২২ নভেম্বর হীরার পোস্ট মর্টেম সম্পন্ন হলে তার লাশ এলাকায় আনা হলে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী থানা ঘেরাও করেন। ওসি ঘটনা টির সুষ্ঠ তদন্তের আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায়। হীরার লাশ পুড়ন্দপুর বিহারি পাড়া পারিবারিক কবর স্থানে দাদা দাদী পিতার পাশে দাফন করা হয়। হীরাকে মারার প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, তারা রাতে উঠে দেখেন, হীরা পড়ে আছে। আর রেজাউল আর তার বৌ পাশে। অভিযুক্ত রেজাউল নিজেও বাজারের ব্যাবসায়ীদের জানিয়েছে হীরাকে সাইজ করে দিয়েছি। জানা যায় এর আগেও হীরা ও তার মাকে রেজাউল বাহিনী মারধোর করে। এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি রয়েছে। রেজাউল আওয়ামীলীগের দুদ্ধর্ষ ক্যাডার। সে আওয়ামীলীগ কমিশনার রাজার সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে এলাকায় বিভিন্ন মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন করেছে। তবে এত কিছুর পরেও মামলা রেকর্ড হয়নি। কেন হয়নি তা জানা যায়নি।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড