প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২, ২০২৬, ৫:৩৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ২৩, ২০২৫, ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ
একজন চিকিৎসক দিয়েই চলছে হাসপাতাল
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
হাওর ও চা বাগান বেষ্টিত মৌলভীবাজারে কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৭ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও হাসপাতালে কর্মরত আছেন মাত্র তিনজন। এর মধ্যে ১জন রয়েছেন পেনশনে জুড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,১ জন রয়েছেন মৌলভীবাজার ২৫০সমস্যা সদর হাসপাতালে। তাই একজন চিকিৎসা কর্মকর্তাকেই রোগীদের সামলাতে হচ্ছে। দৈনিক গড়ে ২০০ -৩৫০জন রোগী আসে হাসপাতালটিতে। চিকিৎসক না পেয়ে রোগীরা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের সেবা নিচ্ছে।
এই চিত্র জেলার হাওর ও চা বাগান বেষ্টিত কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। সরজমিনে হাসপাতালটিতে গিয়ে একজন চিকিৎসা কর্মকর্তার দেখা মিলেছে। এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো.জাকির হোসেন তিনি তার রুমে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন । এছাড়া খুঁজনিয়ে জান যায় ঐ উপজেলা পায় ৩ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে ১ জন চিকিৎসক হিমশিম খাচ্ছেন । ওই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসা রোগীরা এক্স-রে সেবার মতো প্রয়োজনীয় সেবাও পাচ্ছে না।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ৫০ শয্যার কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা কর্মকর্তার পদ রয়েছে ২৭ টি। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সেখানে তিনজন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। তবে ২ জন চিকিৎসক প্রেষনে রয়েছেন । এ কারণে এখন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন ও ১ জন চিকিৎসক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সব কাজ দেখতে হচ্ছে।
খুজ নিয়ে জানা গেছে,১ জন চিকিৎসকের পাশাপাশি উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন । টেকনিশিয়ানের অভাবে এক্স-রে যন্ত্র পড়ে আছে হাসপাতালে। জরুরি রোগীদের বাইরে গিয়ে এক্স-রে করতে হয়। দীর্ঘ দিন ধরে ল্যাব টেকনিশিয়ানের অভাবে প্যাথলজি বিভাগও বন্ধ । গাইনি বিশেষজ্ঞ ও কোন কনসালটেন্ট না থাকায় সব ধরণের অপারেশন বন্ধ রয়েছে বহু দিন ধরে।।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকটও রয়েছে। ফলে এক্স-রে বিভাগ ও প্যাথলজি বিভাগ থেকেও অচল।
কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, ৫০ শয্যার হাসপাতালে গড়ে ভর্তি রোগী থাকে ৩০-৪০জন। এদের মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্তরাই রোগী। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে পায় ৩০০ জন রোগী আসে। হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট থাকায় উপজেলা বাসিকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক–সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানিয়েছি কিন্তু কোন সুরাহা হচ্ছেনা ।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত