1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমরা একাত্তরকে ভুলবো না, চব্বিশকেও না: মহাসচিব মির্জা ফখরুল বিমানের এমডির বাসায় নির্যাতিত শিশু,ক্ষুধার যন্ত্রণায় টিস্যু খেতাম শোবিজকে বিদায় জানালেন নওবা তাহিয়া, দ্বীনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত পিছু হটেছে মার্কিন রণতরী, চলে গেল ১,৪০০ কিলোমিটার দূরে শতকরা ৩০ ভাগ ভোটার মার্কা নয়, প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন : রুমিন ফারহানা। সেনানিবাসে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিধান কী? নওগাঁয় সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, পরস্পরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় বিএনপিসহ অন্যান্য দলের ৪৫ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধায় তিস্তা ব্যারেজ হেলিপ্যাডে বিশাল নির্বাচনী জনসভায় : জামায়াতে আমীর ডা. শফিকুর রহমান শিবচরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার বিক্ষোভ: আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ঠেকাতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

বান্দরবানে সুয়ালকে দিনদুপুরে জোত পারমিটবিহীন বনের গাছ পাচার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবান সদর প্রতিনিধিঃ

বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের কাইচতলী সড়ক হয়ে সাতকানিয়া পর্যন্ত প্রতিদিন দিনদুপুরে পারমিটবিহীন প্রাকৃতিক বনের মূল্যবান গাছ পাচার করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুয়ালকের কাইচতলী,কদুখোলা,ভাগ্যকুল ও টঙ্গাবতী এলাকা থেকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি ট্রাক ও মিনি ট্রাকে করে এসব কাঠ পাচার করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বান্দরবান বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও বান্দরবান সদরের সুয়ালকের ভাগ্যকুল, কদুখোলা কাইচতলী ও টঙ্গাবতী এলাকার একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে জোত পারমিট ছাড়াই বনাঞ্চল ধ্বংস করছে। তারা বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ কেটে পাচার করছে চট্টগ্রাম ও অন্যান্য অঞ্চলে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কদুখোলা, ভাগ্যকুল,টঙ্গাবতি ও কাইচতলী এলাকায় নির্বিচারে বন কাটা ও কাঠ বোঝাই গাড়ি চলাচল করছে। এলাকাবাসী জানায়, চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার কাট ব্যবসায়ী মো. মিজান,মো. রফিক, মো. জাহেদ, কাইচতলীর বাসিন্দা মো. হোসেন ওরফে জাহেদ, ভাগ্যকুল এলাকার নুরুল ইসলাম এবং জয়নালসহ একটি শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ চোরাকারবার চালিয়ে আসছে।

কদুখোলা বনের ভেতরে কাজ করা শ্রমিক মো. শফি বলেন, আমি দিনমজুর। প্রতিদিন ৬০০ টাকা মজুরিতে মিজানের বাগানে কাজ করি।তবে ওই বাগানটি মিজান স্থানীয় মির্জারখীলের নাসিরের কাছ থেকে কিনেছেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে ফোন কেটে দেন।

অন্যদিকে, উত্তর কাইচতলী জামে মসজিদের কবরস্থানের পাশে ২০–২৫ জন শ্রমিককে গাছ কাটতে দেখা যায়। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাসেম বলেন, এই বাগানটা মোহাম্মদ হোসেন ওরফে জাহেদের। তবে তাঁর কাছে বৈধ পারমিট আছে কিনা, তা আমি জানি না।”

কদুখোলা-হলুদিয়া সড়কে কাঠ বোঝাই ট্রাকের চালক শাহাবুদ্দিন বলেন, গাছগুলো কদুখোলা থেকে জাহেদ কোম্পানির বাগান থেকে আনা হয়। আমরা প্রতিদিন প্রায় ৩০-৪০ গাড়ি কাঠ পরিবহন করি। আমি শুধু ভাড়ায় গাড়ি চালাই।

বান্দরবানের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, সুয়ালকে কাঠ পাচারের বিষয়টি আগে জানতাম না। এখন রেঞ্জ অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছি। অবৈধ কাঠ পাচারকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬ আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট