
পাবনা প্রতিনিধিঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬৯ পাবনা- ২ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করেছে নির্বাচন কমিশন। এতদিন সুজানগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এবং বেড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ছিল পাবনা-২ সংসদীয় আসন। এতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালানোসহ নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সমভাবে ত্বরান্বিত করতে তেমন একটা বেগ পেতে হতো না। তাছাড়া প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় খরচও কম হতো। শুধু তাই নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীও তেমন একটা দেখা যেত না। কিন্তু নির্বাচন কমিশন জনগণের কোন মতামত না নিয়ে সুজানগর এবং বেড়া বৃহৎ এই দু’টি উপজেলা নিয়ে ৬৯ পাবনা- ২ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছেন। এতে দু’টি উপজেলা নিয়ে গঠিত বৃহৎ এই সংসদীয় আসনে প্রচার প্রচারণা চালানো প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং ব্যয়বহুল হবে। সেই সঙ্গে যিনি এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন তার পক্ষে বৃহৎ এই দু’টি উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সমভাবে ত্বরান্বিত করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। শুধু তাই নয়, সংসদীয় আসনের ভৌগোলিক অবস্থাগত কারণে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে জনগণের যোগাযোগ রক্ষা করাও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে। বলা যায় নির্বাচনের সময় ছাড়া কোন কোন এলাকার জনগণের নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে ৫ বছরের মধ্যে আর দেখাই হবে না। পাশাপাশি পরিবর্তিত এই সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া নিয়েও বিড়ম্বনায় পড়বেন। বর্তমান সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও দু’টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন হওয়ায় অগণিত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন দিতে হিমশিম খেতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব-বিরোধও চরম আকার ধারণ করবে। সুতরাং সংসদীয় আসন পূর্বেই যথার্থ ছিল বলে রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করেন।