হামিদুল হক,নাইক্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার জেলার রামু এবং বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় গত কয়েকদিন ধরে অব্যাহতভাবে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। টানা এই বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে এসেছে বিভিন্ন খালে-নালায়, যদিও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অতি ভারি বর্ষণের কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি জায়গায় পাহাড়ের মাটি সরে ক্ষুদ্র আকারের ধসের খবর মিলেছে, তবে বড় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রামুর গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, কাউয়ারখোপ, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন এবং নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি, বাইশারী ও ঘুমধুম ইউনিয়নের কিছু পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় মানুষ সতর্ক হয়ে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে সাময়িক দূরে অবস্থান করছে। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়নি।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পাহাড়ি এলাকা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, যাতে কোনো বড় ধস বা দুর্ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম শুরু করা যায়। প্রয়োজন হলে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে যেসব পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে, তারা অস্বস্তিতে দিন কাটাচ্ছে। কারণ অতীতে এই অঞ্চলে বর্ষাকালে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল।
আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে আগামী দুই-এক দিন। এতে পাহাড়ি ঢল এবং মাটি সরে যাওয়া আরও বাড়তে পারে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলাকাবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছেন।
মোঃ কামরুজ্জামান মিলন
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক তুহিন প্রিন্টিং প্রেস ফকিরাপুল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ই-মেইল: 𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
ই-পেপার: 𝐞𝐩𝐚𝐩𝐞𝐫.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট: 𝐰𝐰𝐰.𝐝𝐚𝐢𝐧𝐢𝐤𝐚𝐥𝐨𝐤𝐢𝐭𝐨𝐧𝐞𝐰𝐬.𝐜𝐨𝐦
মোবাইল: ০১৯২৭-৩০২৮৫২/০১৭৫০-৬৬৭৬৫৪
আলোকিত মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড